রবার্ট ব্রাউনিং (১৮১২-১৮৮৯)



১৮১২ সালে কোমবারওয়েল নামক স্থানে রবার্ট ব্রাউনিং জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ব্যাংক
অব ইংল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শৈশবকাল থেকেই তিনি ছিলেন মুক্ত ও স্বাধীন এবং নান
বিষয়ে পড়াশােনার ক্ষেত্রেও ছিল না কোনাে বাধা। মাত্র বারাে বছর বয়স থেকেই তিনি কবিতা
লেখা শুরু করেন। কবি শেলি তার ওপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। ইউনিভার্সিটি
কলেজের সংক্ষিপ্ত পাঠ সমাপ্ত করে তিনি কিছুদিন রাশিয়ায় ভ্রমণ করেন এবং ইংল্যান্ডে স্থায়ী
হন। ১৮৩৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতাে ইতালি ভ্রমণ করেন। ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্স ও
ইতালি ভ্রমণ তাঁর কবিতাকর্মে বিশেষ প্রভাব ফেলে। ১৮১৬ সালে তার স্ত্রী গত হন এবং
একমাত্র পুত্রের সঙ্গে তিনি বাস করতে থাকেন। ইতালিতে তিনি দেহত্যাগ করেন। বিবিধ
বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন এই কবি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মানুষের আত্মিক বিষয়ের
অনুসন্ধান। মানুষ, প্রকৃতি এবং মানবাতআর বাণী- এসবই তাকে বেশি করে টানত। মানুষ
ঈশ্বর ও প্রকৃতি- এ তিনটি বিষয়ে তার নিজস্ব দর্শন ছিল। ১৮৮৯ সালে এই মহান কবি
ভেনিসে লােকান্তরিত হন। ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবিতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
বর্তমান কবিতাটি ১৮৪২ সালে তার ড্রামাটিক রােমান্স' গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। মাই লাস্ট
ডাচেস' কবিতাটি কবি ব্রাউনিংয়ের রেনেসাঁস বিষয়ে চিন্তাভাবনা ও পড়াশােনার ফসল। বিশেষ
করে ইতালিতে থাকাকালীন এ ভাবনা তার মাঝে জাগ্রত হয়।
কবিতাটিতে বংশগৌরবে গর্বিত একজন ডিউক তার বিগত পত্নীর ছবির সামনে দাঁড়িরে
কথা বলছেন। নতুন করে ডিউকের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছে দূত, কনে এক কাউন্ট তনয়া।
দুতের সামনে ডিউক তার পত্নীর রূপ-জৌলুস, তার আচার-আচরণ সবই বর্ণনা করছেন। তয়
স্ত্রীর ছবিটা যে এখনাে জীবন্ত এটাও বলছেন। পােশাকের আড়াল হতে তার যে রূপসুষমা ফুটে
উঠেছে তার বর্ণনা দিচ্ছেন। এমনকি তার নিজের বংশগৌরবের কথাও বলতে ভুলছেন
এখানে আমরা একজন আত্মগর্বী ও বংশগৌরবে গর্বিত কঠিন হৃদয়ের ডিউকের সাক্ষাৎ প
যার অতি নীতিবাদী আদর্শের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেনি ডিউকপত্নী, যার কারণেই
না।
হয়ত নিদারুণ হতাশা নিয়ে তাকে বিদায় নিতে হয়েছে পৃথিবী থেকে।
Rea es:
[blogger]

MKRdezign

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget