টমাস গ্রে (১৭১৬-১৭৬৮)

Thomas Gray Life Histroy In Bangla



১৭১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর কর্নীহিল নামক স্থানে টমাস গ্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিত
ফিলিপ গ্রে ছিলেন লন্ডন শহরের একজন খ্যাতিমান দলিল লেখক। গ্রের শৈশবকাল কেটে
বিশাল একটি পরিবারে এতিম সম্ভানের মতাে। ছেলেবেলাটা তাঁর খুবই যন্ত্রণার মধ্য নি
অতিবাহিত হয়েছে। কারণ তাঁর পিতা সর্বদা তার মায়ের প্রতি রূঢ় আচরণ করতেন।
১৭২৫ সালে গ্রেকে এটনে পাঠানাে হয়। সেখানে তার বেশ ক'জন বন্ধুবান্ধব জুটে যায়।
এটনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রাচীন ঐতিহ্য তার মধ্যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। এটনের প্রকৃতি তাঁ
মাঝে বলা যায় চেপে বসে এবং এ সময় তিনি ল্যাটিন ভাষায় কবিতা রচনা শুরু করেন।
১৭৩৯ সালে তিনি দীর্ঘ ভ্রমণে বের হন, উপস্থিত হন ফ্রান্সে। সে বছরই নভেম্বর মাসে
তিনি আল্পস পর্বত অতিক্রম করেন এবং ১৭৪০ সালের পুরাে সময়টাই তিনি ইতালিতে
কাটান। রােম ও ভেনিসে দ্রমণ করেন এবং পরবর্তীকালে বন্ধুদের সঙ্গে মনােমালিন্য হওয়ার
ভেনিস থেকে আবার ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন। ইতালির ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলাে
গ্রের মাঝে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ১৭৪২, সালে তাঁর ওড অন দি স্প্রিং নামক কবিতা
প্রকাশিত হয়। মিস স্পিড নামের এক সুন্দরী মহিলার সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
এলিজি ইন এ কান্ট্রি চার্চইয়ার্ড কবিতাগুচ্ছ ১৭৫১ সালে প্রকাশিত হয়। ১৭৫৩ সালে তাঁর
প্রথম নির্বাচিত কবিতার সংকলন প্রকাশিত হয়। ক্রমে প্রকাশিত হয় 'দি প্রগ্রেস অব পয়েজি,
দি ভিসেন্ট অব অডিন দি ফাটাল সিস্টার' ইত্যাদি মহৎ কর্মগুলাে।
১৭৬৮ সালে গ্রে ক্যামব্রিজে সমকালীন ইতিহাসের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৭৭১ সালের
৩০ জুলাই এই মহান কবি লােকান্তরিত হন।
এলিজি রিটেন ইন এ কান্ট্রি চার্চইয়ার্ড কবিতাটি লেখা শুরু হয় ১৭৪২ সালে এবংশে
হয় ১৭৪৯ সালে। এই কবিতাটি লেখা হয় স্টক পােজি চার্চইয়ার্ডে বসে। সেখানে ম্রের বাবার
মৃত্যুর পর তার মা ও মাসি দুজনে বসবাস শুরু করেছিলেন।
বর্তমান কবিতাটিতে মৃত ব্যক্তিদের আবাসস্থল কবরস্থানের কথা বলা হয়েছে। ষারা
এককালে পৃথিবীতে বর্তমান ছিল, স্নেহ মমতার বন্ধনে আবদ্ধ ছিল, আজ তারা সকল স্নেহ
মমতা ভালােবাসার উর্ধ্বে অবস্থান করে নির্জন কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত। যারা পৃথিবীতে বা
তাদের সমাজে বড়াে কোনাে ভূমিকা রাখেনি, দেয়নি কোনাে নেতৃত্ব, করেনি কোনাে সংঘাত
এই সব সাধারণ নিরীহ মৃতজনদের উদ্দেশ্য করেই কবিতাটি লেখা। এ কবিতাটি হয়ে উঠেছে
বিশ্বজনীনের শােকগাথা, যেন সারা পৃথিবীর সকল চার্চইয়ার্ডের প্রতি উৎসগীকৃত।
সারা দুনিয়ার অবহেলিত নিরীহ মানুষেরা যেন এ কবরস্থানে এসে একত্রে মিলিত হয়েছে।
যাদের জন্য আজ আর এক ফোটা অশ্র বিসর্জন করে না কেউ। শুধু স্মৃতিফলকে লেখা কিছু
বাণী ঘাসের আড়ালে জেগে থাকে।
Rea es:
[blogger]

MKRdezign

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget