SiSTunes.Com

Latest Post

 

ফাইল ছবিঃ প্রধানমন্ত্রী 

ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালী হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত একটি রেলপথ স্থাপন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানী ও পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলার মধ্যে রেল যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে রোববার যমুনা নদীর ওপর ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল-লাইন ডুয়েল-গেজ বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালী হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত একটি রেলপথ স্থাপন করবে। আমরা একটি সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করব, সে বিষয়ে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।শেখ হাসিনা বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর সরকার নতুন ইঞ্জিন ও বগি সংগ্রহসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে রেলপথ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

তিনি বলেন, এর মাধমে সরকারের অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, রেলপথ সচিব মো. সেলিম রেজা প্রমুখ বক্তব্য দেন।



বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা

ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানদের রাজ্য বিস্তারের তিনটি পর্যায় লক্ষ করা যায়। প্রথমত, ইরাকের।

শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ৭১২ খ্রিষ্টাব্দের যুদ্ধে

রাজা দাহির পরাজিত ও নিহত হলে সিন্ধু ও মুলতান রাজ্য মুসলমানদের অধিকারে চলে আসে।

বহামাদ বিন কাসিমের সিন্ধু ও মুলতান জয়ের প্রায় ৩০০ বছর পর একাদশ শতকের প্রথম দিকে গজনীর তুর্কি

ান আমীর সবুক্তগীন ও তার পুত্র সুলতান মাহমুদ পুনঃপুন ভারত আক্রমণ করেন। ১০০০-১০২৭ সালের

মধ্যে সুলতান মাহমুদ মােট ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন।

সুলতান মাহমুদের মৃত্যুর প্রায় দেড়শ বছর পর উপমহাদেশে মুসলিম শাসন

প্রতিষ্ঠিত হয়। এ পর্যায়ে নেতৃত্ব দান করেন মুঈজ-উদ-দীন মুহাম্মদ-বিন-সাম,

যিনি ইতিহাসে মুহাম্মদ ঘুরী নামে পরিচিত। ১১৯২ সালে দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধে

মহাম্মদ ঘুরী পৃথবীরাজকে পরাজিত করে দিল্লি ও আজমীর দখল করেন। এ সময়ে

(১২০৪ সালে) ইখতিয়ার-উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি নামে এক তুর্কী

ভাগ্যান্বেষী মুসলমান সমগ্র বিহার ও বাংলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল জয় করেন।

এভাবে মুহাম্মদ ঘুরী ভারতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলায় মুসলিম

শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার-উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি।

দাহির ছিলেন-সিঙ্ধু ও মুলতানের রাজা।

| যে মুসলিম সেনাপতি স্পেন জয় করেন-তারিক মুহাম্মদ ঘুরী

| আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধু দেশের রাজা ছিলেন দাহির।

| প্রথম মুসলিম সিম্ধু বিজেতা ছিলেন মুহাম্মদ-বিন-কাসিম।

| সুলতান মাহমুদের রাজসভার শ্রেষ্ঠতম দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ ছিলেন- আল বেরুনী।

| গজনীর অধিপতি সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন--১৭ বার।

| সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন-- মহাকবি ফেরদৌসী।

প্রাচ্যের হােমার বলা হয়মহাকবি ফেরদৌসীকে।

| ভারতে সর্বপ্রথম তুর্কী সাম্রাজ্য বিস্তার করেন-মুহাম্মদ ঘুরী।

আল বেরুনী

প্রথম তরাইনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ১১৯১ সালে। এ যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী

পৃথ্বীরাজের কাছে পরাজিত হন।

I দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী পৃথীরাজকে পরাজিত করেন।১১৯২ সালে।

| ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন-মুহাম্মদ ঘুরী।

মুহাম্মদ ঘুরীর প্রকৃত নাম-মুঈজ-উদ-দীন মুহাম্মদ-বিন-সাম।

বখতিয়ার খলজির অতর্কিত আক্রমণে রাজা লক্ষ্মণ সেন পালিয়ে আশ্রয় নেন

পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে।

- রাজধানী নদীয়ায়।

। বখাতিয়ার কর্তৃক বাংলা আক্রমণকালে লক্ষ্মণ সেন অবস্থান করছিলেন

বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন,১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে এবং মারা যান১২০৬ খ্রি্টব্দে।

বাংলার মুসলমান রাজ্য সর্বাধিক কিস্তার লার্ভ করে

সুলতান শামসুদ্দিন ফিরােজহের

ইবনে বতুতা

বাংলায় সুলতানী শাসন প্রতিষ্ঠা
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের মাধ্যমে সােনারগাঁয়ে স্বাধীনতার সূচনা হলেও ইলিয়াস শাহী বংশের সুলতানদের
হাতে বাংলা (সমগ্র) প্রথম স্থিতিশীলতা লাভ করে। মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ফখরুদন
মুবারক শাহের রাজত্বকালে ১৩৪৫-৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে আসেন।
| ইবনে বতুতা ভারতে আসেন১৩৩৪ সালে।
| বাংলায় ইবনে বতুতার আগমন ঘটে- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে (১৩৪৫-৪৬ খ্রিন্টা্ে।
। ইবনে বতুতা ছিলেনমরক্কোর পর্যটক।
। চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করেন।- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
। সর্বপ্রথম যে চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন- ফা হিয়েন।



এক নজরে বাংলাদেশ

At a Glance Bangladesh

 রাষ্ট্র ও জাতীয় বিষয়

| সাংবিধানিক নাম : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

| রাজধানী : ঢাকা।

| বাণিজ্যিক রাজধানী : চট্টগ্রাম।

। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস : ২৬ মার্চ (স্বাধীনতা লাভ :২৬ মার্চ ১৯৭১)।

। বিজয় দিবস : ১৬ ডিসেম্বর।

| জাতীয় সঙ্গীত : আমার সােনার বাংলা'র প্রথম ১০ চরণ (রচয়িতা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।

| জাতীয় প্রতীক : দুপাশে ধানের শীষবে্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। তার মাথায় পাট

গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা।

। রাষ্ট্রভাষা : বাংলা (ইংরেজি অন্যতম ভাষা)।

| জাতীয়তা : বাঙালি।

| নাগরিকত্ব : বাংলাদেশি।

| রাষ্ট্রধর্ম : ইসলাম।

জাতীয় প্রতীক

 আয়তন ও সীমানা

| আয়তন : ১,৪৭,৫৭০ বর্গ র্লিমি বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।

| মােট সীমানা : ৫,১৩৮ কিমি।

| স্থলসীমা : ৪,৪২৭ কিমি।

| জলসীমা : ৭১১ কিমি।

| সীমা : উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়; পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও

মিয়ানমার (বার্মা); পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।

| সীমান্তব্তী দেশ : ২টি (ভারত ও মিয়ানমার)।

| সীমান্ত বাহিনী : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

| ভারতের সাথে সীমান্ত : ৪১৫৬ কিমি। সূত্র : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

| মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত :২৭১ কিমি। /সূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

| আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা : ১২ নটিক্যাল মাইল ১ নটিক্যাল মাইল = ১.১৫ মাইল বা ১.৮৫৩ কিমি।

| সন্নিহিত এলাকা : ১৮ নটিক্যাল মাইল।

| অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা : ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিমি।

 ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ু


I ভােগােলিক অবস্থান : ২০°৩৪ থেকে ২৬৩৮ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১ থেকে ৯২°৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

| ঋতু : ৬টি (গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত)।


| ভূ-প্রকৃতি : পলি গঠিত সমতল ভূমি। ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা :
১. টারশিয়ারী যুগের পাহাড়ি অঞ্চল, ২. প্লাইস্টোসিন যুদগের সৌপান অঞ্চল ও ৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সা
। জলবায়ু : বাংলাদেশ ক্রান্তীয় জলবায়ু অ্চলে অবস্থিত। কিন্তু সমুদ্র সান্নিধ্য ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে।
এখানে শীত ও গ্রীষ্মের তীব্রতা খুব বেশি নয়।
। গড় তাপমাত্রা : ক. শীতকালীন তাপমাত্রা নিভেম্বর-ফেব্রুয়ারি] সর্বোচ্চ : ২৯° সে. এবং সর্বনিম্ন : ১১ সে.।
খ. গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা [এপ্রিল-সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ : ৩৪° সে. এবং সর্বনিম্ন : ২১ সে.।
| বৃষ্টিপাত অঞ্চল : সর্বোচ্চ সিলেটের লালাখাল এবং সর্বনিম্ন নাটোরের লালপুর।
গড় বৃষ্টিপাত : ২০৩ সেন্টিমিটার।
| স্থানীয় সময় : গ্রিনিচ মান সময় +৬ ঘণ্টা।
। প্রধান নদ-নদী : মেঘনা, পদ্মা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, সুরমা, কর্ণফুলী প্রভৃতি।
অভিন্ন নদী: ৫৭টি (ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি এবং মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩টি)
সূত্র : বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন। ৫৮টি (ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৫টি এবং মিয়ানমার ও
বাংলাদেশের মধ্যে ৩টি) সূত্র : বাংলাপিডিয়া]।
| বনাঞ্চলের আয়তন : ২৫,০০০ বর্গকিমি (সূত্র : মাধ্যমিক ভূগােল; নবম-দশম শ্রেণিী; ৬২ লক্ষ একর (১৭.০৮%)।
। পর্যটন : বাংলাদেশে রয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত (কক্সবাজার) ও বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোড
ফরেন্ট (সুন্দরবন)। তাছাড়া সেন্টমার্টিন, কুয়াকাটা, হিরন পয়েন্ট, জাফলং, রাঙ্গামাটি, টেকনাফ,
শালবন বিহার, পাহাড়পুর এবং টঢাকার মুঘল আমলের স্থাপত্য কী্তি ছাড়াও প্রচুর দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
 জনসংখ্যা
| মােট জনসংখ্যা : ১৪ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১, ১৫ কোটি
৮৯ লাখ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭]; ১৬ কোটি ৪৭ লাখ। [UNFPA 2017]।
| নারী ও পুরুষের অনুপাত : ১০০ ঃ ১০০.৩ /অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭]।
| গড় আয়ু : ৭০.৯ বছর। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭]।
| জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭% (আদমশুমারি ২০১১; ১.৩৭% (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭; ১.১% [UNFPA 2017] ।
| জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতিবর্গ কিমি) : ১,০১৫ জন পঞ্চম আদমশুমারি রিপাের্ট ২০১১; ১,০৭৭ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭।
1 ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা : ইসলাম ৯০.৪%, হিন্দু ৮.৫%, বৌদ্ধ ০.৬%, খ্রিষ্টান ০.৩%, অন্যান্য
০.১% পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১]
| ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী জনসংখ্যা (অনুমিত) : ১৫ লক্ষ.৮৬ হাজার ১৪১ জন (পঞ্চম আদমশ্ুমারি ২০১১।
| প্রধান ক্ষুদ্র ন-গাষ্ঠী : চাকমা, মারমা, মুরং, গারাে, লুসাই, পাংখােই, টিপরা, সীওতাল, খাসিয়া, মণিপুরী, মগ, কুকি ইত্যাদি।
 সরকার ও প্রশাসন
| সরকার পদ্ধতি : সংসদীয় পদ্ধতির সরকার। বহুদুলীয় গণতন্ত্র ও এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, যার নাম
জাতীয় সংসদ। জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
৩০০ জন সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভােটে নির্বাচিত হন।
| মন্ত্রণালয় : ৪১টি (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ)
। বিভাগ : ৮টি (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল,
সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ)।
I জেলা : ৬৪টি।
। উপজেলা : ৪৯২টি (সর্বশেষ উপজেলা শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ (২০ নভেম্বর ২০১৭)।
| সিটি কর্পোরেশন : ১১টি।
| গ্রাম : ৮৭,১৯১টি (আদমশুমারি ২০১১)।
I পৌরসভা :৩২৮টি (এপ্রিল ২০১৮)।
| প্রথম রাষ্ট্রপতি : শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ এপ্রিল ১৯৭১-১২ জানুয়ারি ১৯৭২)

Sistunes.com -  মা-বাবার প্রতি আমাদের দ্বায়িত্ব কর্তব্য
SiSTunes.Com

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘পিতামাতা তোমার জান্নাত এবং জাহান্নাম’। যদি কেউ পিতামাতার সেবা করতে পারে তাহলে সে জান্নাতে যাবে এবং সেবা না করলে অর্থাৎ অবাধ্য হলে সে জাহান্নামে যাবে।

মা কথাটি অতি মূল্যবান যা লিখে বা ভাষায় প্রকাশ করে বুঝানোর মতো নয় তবুও আমার এই লেখনির মাধ্যমে হয়তো আপনাদের একটু হলেও আমাদের জান্নাত , মানে আমাদের মায়ের সম্পর্কে একটু ধারনা দিতে পারব।

প্রথমে হাদীসটি দেখে নেই-

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” مَا مِنْ وَلَدٍ بَارٍّ يَنْظُرُ نَظْرَةَ رَحْمَةٍ إِلَّا كَتَبَ اللهُ بِكُلِّ نَظْرَةٍ حَجَّةً مَبْرُورَةً “، قَالُوا: وَإِنْ نَظَرَ كُلَّ يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ؟ قَالَ: ” نَعَمْ، اللهُ أَكْبَرُ وَأَطْيَبُ “

হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, যখন কোন পিতা মাতার ভক্ত সন্তান নিজের পিতা মাতার প্রতি অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বদৌলতে তার জন্য [আমলনামায়] একটি হজ্জ্বে মাবরূর [কবুল হজ্ব] এর সওয়াব দান করেন। সাহাবারা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি দৈনিক একশবার দৃষ্টি করে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তারও। আল্লাহ মহান ও পবিত্র। {শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৭৪৭২, কানযুল উম্মাল, হাদীস নং-৪৫৫৩৫, মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং-৪৯৪৪}

এ হাদিস থেকে আমরা খুব সহজেই বুজতে পারি যে, আমরা যদি আমাদের পিতা-মাতার প্রতি সদয় হই ও তাদের মনে কষ্ট না দেই তাহলে আমরা খুব সহজেই জান্নাত লাভ করতে পারি। 

আরে ভাই , আমরা এমনও মানুষ আছি যারা নিজের মা’কে শরীরে হাত পর্যন্ত তুলি। আমরা কেমন আদম সন্তান ? কোন জামানাতে আছি ? একবার ভেবে দেখুন । যে আপনাকে জন্ম দিলো তার সাথেই আজ এমন ব্যবহার করা কি আপনার ঠিক ?

যে না হলে আপনি হতেন না , দেখতেন না এই দুনিয়া , পূরণ করতে পারতেন না এত রঙ্গীন স্বপ্ন । একদিন এমনও তো হতে পারে আপনার সন্তান আপনার প্রতি ব্যবিচার ও জুলুম চাপাতে পারে। মহান আল্লাহ সবাইকে হেদায়াত দান করুক।

মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারিমের বিভিন্ন জায়গায় পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার, উত্তম আচরণ এবং দোয়া করার পদ্ধতি ও নির্দেশ প্রদান করেছেন। আর তা হলো-

উচ্চারণ : ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।’ (সুরা: বনি ইসরাইল, আয়াত: ২৪)

অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন; যেমনিভাবে তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’

আমি ‍দেখেছি অনেক মা আছেন যারা আজও দু-বেলা দু-মুঠো খাবার না পেয়ে মুখ লুকিয়ে কাঁদে । সেই সন্তানের প্রতি আমার আল্লাহ কখনই খুশি হবেন না ,বরং গজব বিস্তার হতে পারে । 

Sistunes.Com - মা বাবা নিয়ে হাদিস
দুঃখে ব্যাথিত মা-বাবা


সময় থাকতে মা বাবার খেয়াল রাখুন । মা বাবাকে খুশি রাখতে পারলে মহান আল্লাহ তা’আলা খুশি হবেন । আজ যারা মা-বাবাকে হারিয়েছেন তারা হয়তো মা-বাবার উসিলা করে আর কোন সওয়াব পাবেন না কিন্তু তাদের জন্য যত পারেন দো’আ করেন । মায়ের দিকে একবার  নেক নজরে তাকালে যদি বেহেশত পাওয়া যায় তাহলে কেন আপনি  মক্কা-মদিনাতে বেহেশত খুজেন? হ্যা, আমি বলছি না যে আপনি মক্কা-মদিনাতে যাওয়ার দরকার নেই। আপনি যেতে পারেন । তবে নিজের ‍ৃঘরের মা’কে কষ্ট দিলে কি আপনার পুন্য হবে ? একবার ভেবে দেখুন তো …. আপনার মা আপনার ভালোর স্বার্থে কি না করেছেন তিনি ? ছোট ছোট কথাতে নিজের মা’কে কিন্তু  খুশি রাখা যায়। এমন কোন কথা বলবেন না যেন আপনার মা কষ্ট পায়। আপনার মা-বাবা যদি আপনার দ্বারা সুখি না হয় তাহলে আপনার এ মানব জনম বৃথা বলে মনে করবেন। 

আপনার মা-বাবার জন্য দোয়া করবেন বছরে একদিন না, প্রতিদিন এবং সবসময়। আর প্রতি বছর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা ঠিক নয়।মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, মানুষ মরে গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তিনটি কাজ চলতে থাকে। সেগুলো হচ্ছে- সদকায় জারিয়া, ইসলামিক জ্ঞান এবং নেক সন্তান যদি মা-বাবার জন্য দোয়া করে যায় তাহলে সেই দোয়া। মহান আল্লাহ তায়ালা এই দোয়া কবুল করেন

সবশেষে এইটুকু বলব যে, ওইযে মহান আল্লাহ আমাদের মা-বাবাকে জান্নাতের একেকটা ফুলে রূপান্তরিত করুক (আমিন)।


এ পর্যন্ত আমার কথায় কেউ আঘাত পেলে ক্ষমার দৃষ্টিতেই দেখবেন। 




বিখ্যাত আমেরিকান কবি অড্রিয়ান রিচ। বাল্টিমােরের মেরি ল্যান্ডে ১৯২৯ সালে ার জন্ম।
র্যাডক্লিফ কলেজে তিনি শিক্ষাপ্রাপ্ত হন। মাত্র কুড়ি বছর বয়সে তার প্রথম কবিতার বই এ
চেঞ্জ অব ওয়া্ল্ড (১৯৫১) ছাপা হয়। তারা ছিলেন তিন বােন। অড্রিয়ান ছিলেন সবার ছােটো।
ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পিতার ইহুদি ব্যাকগ্রাউন্ড ও মাতার দক্ষিণী প্রটেস্ট্যান্টিনিজম দ্বারা
বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
১৯৫৩ সালে তিনি অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড, কনরাডের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
তাদের তিনটি সন্তান জন্মে।
রিচের কবিতাগুলােতে রাজনীতি, ক্ষমতার বিভাজন এবং নিজস্ব জগতের ছায়া পড়েছে।
তার সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি অনেক পদক ও খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।
অড্রিয়ান রিচ তার জেনিফার চাচির বাঘগুলাে, কবিতাটিতে অবচেতনভাবে রূপকের
সাহায্যে নারীর বন্দিজীবনের, বিশেষ করে সংসার বেড়াজাল ও পুরুষের শেকলে আবদ্ধ থাকার
ছবি তুলে ধরেছেন। কবিতাটিতে বাঘের রূপকে তিনি একজন নারীর ক্ষোভ ও বেদনা এবং
বন্দিদশা হতে মুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
কবিতাটিতে সমাজে নারীর বাস্তব অবস্থানের চিত্রটিও তুলে ধরেছেন রিচ। জেনিফার চাচি
তার হাতে বিয়ের আংটি ধারণ করার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি তার হাতে গুরুভার হয়ে বসে গেছে।
যে বেড়ি হতে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রেহাই পাননি তিনি। রিচ অপূর্ব দক্ষতায় সমাজে নারীর
পরিণতির কথা চমৎকার ভাষায় বর্ণনা করেছেন রূপকের সাহায্যে। বাঘকে তিনি শক্তির প্রতীক
হিসেবে ব্যবহার করেছেন।



ইয়কশায়ারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এক উপত্যকা এলাকায় ১৯৩০ সালের ১৭ আগস্ট টেউ
হিউজের জন্ম। তাঁর বাবা উইলিয়াম হিউজ কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তিন ভাই-বােনের মধ্যে
চেড ছিলেন সবার ছােটো। ছােটোবেলা থেকেই তিনি নির্জন পরিবেশে নিঃসঙ্গ দিন কাটাতেন।
বন্ত্রশহর বলে খ্যাত ল্যাংকাশায়ার এবং পশমের জন্য বিখ্যাত পশ্চিমের অন্ধকার উচু
পাহাড়ে ঢাকা ছায়াময় পরিবেশে ছােটো কারখানাগুলাে টেডের বুকে পাথরের বােঝার মতাে চেপে
থাকত সব সময়। এখান থেকে পালানাের কথা মাঝে মাঝে ভাবতেন তিনি। তিনি ভাবতেন বাড়ি
থেকে পালিয়ে সীমানা ছাড়িয়ে দূরে কোথাও চলে যাওয়ার মতাে আনন্দ আর কিছুতে নেই।
টেডের যখন সাত বছর বয়স তখন তার পরিবার বাড়ি বদল করে দক্ষিণ ইয়র্কশায়ায়ের
ম্যাকস্বরােতে চলে যায়। এখানে এসে টেডের হৃদয়ে দুটি বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া কাজ করে।
একটি হলাে শহরের ধনী পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে স্কুলে অধ্যয়ন, নাগরিক জীবনের ক্লান্তিকর
যান্ত্রিকতায় আটকে থাকা; অন্যটি প্রকৃতির মাঝে নিজেকে অবাধে মিশিয়ে দেয়া।
পনেরাে বছর বয়সে টেড প্রথম কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৯৪৮ সালে বৃত্তি পেয়ে ক্যামব্রিজে
ভর্তি হন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীতে মেকানিক হিসেবে চাকরিতে
যােগদান করেন। এই চাকরি সম্পর্কে তিনি বলেছেন, "শুধু সারা দিন শেকসপিয়ার পড়া আর সবুজ
ঘাসগুলাের বেড়ে ওঠা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা", এ ছাড়া আর কোনাে কাজ ছিল না।
এরপর আবার ১৯৫৪ সালে ক্যামব্রিজে ফিরে এসে স্নাতক হন। বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকায়
তার প্রথম কবিতা, "The little boys and the seasons" ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। এ
সময় টেড ডিলান টমাসের কবিতায় ডুবে থাকতেন, এমনকি ডিলান টমাসের অধিকাংশ
কবিতাই ছিল তার কণ্ঠস্থ। ১৯৫৪ সালে টেডের "The Jaguar" এবং The Casualty"
নামক দুটি কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পর পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া জাগে ।
জীবিকার কারণে টেড হিউজ এ সময় নানা ধরনের ছােটোখাটো কাজকর্ম করেন। শেষে
অনেক চেষ্টা-তদবির করে একটি স্কুল শিক্ষকের চাকরি পান। কয়েক জন সাহিত্যিক বন্ধুর
সহায়তায় একটি পত্রিকাও বের করেন। এই পত্রিকার এক সান্ধ্য আড্ডায় মার্কিন কব
সিলভিয়া প্লাথের সাথে তাঁর পরিচয় ঘটে। সিলভিয়া ছিলেন খুবই মেধাবি ছাত্রী। মার্কিনি ডিম
নেয়ার পর ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে ক্যামব্রিজে এসেছেন। ১৯৫০ সাল থেকেই নানা পত্রপত্রিকায়
সিলভিয়ার লেখা প্রকাশিত হয়ে আসছিল। টেডের সঙ্গে দেখা হওয়ার সময় তিনি প্রতিষ্ঠিত
কবি, বয়সে সিলভিয়া টেডের চেয়ে দু বছরের ছােট। পরিচয়ের চার মাসের মাথায়ই তারা বিয়ে।
করেন এবং লিখে আর কবিতা পাঠ করে দু জনে সময় কাটাতে থাকেন। কিন্ु কয়েক বছরের
মধ্যেই তাদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়ে যায় এবং দুটি শিশুসন্তান নিয়ে সিলভিয়া।
আলাদা বাস করতে থাকেন। মাত্র বত্রিশ বছর বয়সে সিলভিয়া নিজের ফ্ল্যাটে গ্যাসের চুলায়।
মাথা ডুবিয়ে আত্মহত্যা করেন।



১৯১৪ সালে ২৭ অক্টোবর দক্ষিণ ওয়েলসের সােয়ানসি নামক এক সমুদ্র উপকূলবৃ্তী শহরে
ডিলান টমাসের জন্ম। তিনি ইংরেজি কবিতায় আলাদা একটি নীতিধর্মী বারার সূচনা করেছেন।
সােয়ানসির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকায় তাঁর সুখী শৈশবকাল অতিবাহিত হয়।
পরবৃর্তীকালে তিনি লন্ডনে চলে যান। কিছুকাল পরে তিনি আবার ওয়েলসে এসেই নিবাস
গড়েন। ওয়েলসের প্রকৃতি তার কবিতায় যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। তাঁর প্রথম কবিতা সংকলন
"Eighteen Poems" ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়, যখন তার বয়স মাত্র কুড়ি। জীবন ও
জগৎকে দেখার তাঁর নিজের একটা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। কবির নিজের কথায়, "আমার
কবিতা লেখা হয়েছে, মানুষের ভালােবাসা আর ঈশ্বরের করুণাকে আশ্রয় করে। তাঁর অন্যন্য
কাব্যগ্রন্থগুলাে হচ্ছে 25 Poems' (1936), "The Map of Love' (1939), New
Poems' (1943)। তাঁর মৃত্যুর এক বছর পরে 'Collected Poems' প্রকাশিত হয়।
বিশ শতকের অন্যতম এই ব্রিটিশ কবি ১৯৫৩ সালে লােকান্তরিত হন।

MKRdezign

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget